Prof. Dr. Suraiya Sultana

Blog Zinest

Blog Zinest

এন্টেনাটাল চেকআপ: গর্ভাবস্থায় মা ও শিশুর সুস্থতার নিশ্চয়তা

গর্ভাবস্থায় মা ও শিশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য নিয়মিত এন্টেনাটাল চেকআপ অপরিহার্য। গর্ভকালীন এই পরীক্ষার মাধ্যমে মাতৃদেহ ও শিশুর বিকাশ পর্যবেক্ষণ করা হয়, সম্ভাব্য ঝুঁকি সনাক্ত করা যায় এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায়। ডাক্তারের পর্যবেক্ষণে রক্তচাপ, হিমোগ্লোবিন, ইউরিন, গর্ভের অবস্থান ও শিশুর হার্টবিট নিয়মিত পরীক্ষা করা হয়। এছাড়াও যেকোনো অস্বস্তি বা সমস্যার দ্রুত সমাধান সম্ভব হয়। এন্টেনাটাল চেকআপের মাধ্যমে মা স্বাস্থ্যকর খাবার, পুষ্টি এবং জীবনযাত্রার পরামর্শ পান। প্রয়োজনে টিকাদান, ঔষধ বা অন্যান্য চিকিৎসা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। নিয়মিত পরীক্ষার ফলে গর্ভাবস্থায় যেকোনো জটিলতা আগে থেকে চিহ্নিত হয়ে সহজে সমাধান করা যায়। এটি শুধুমাত্র মাতৃস্বাস্থ্যই নয়, শিশুর সুস্থ ও সঠিক বিকাশের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। নিয়মিত চেকআপের মাধ্যমে গর্ভকালীন বিভিন্ন ঝুঁকি যেমন ডায়াবেটিস, হাই ব্লাড প্রেসার বা পুষ্টিহীনতার সমস্যাও নিরীক্ষণ করা যায়। এছাড়াও, সন্তান প্রসবের আগে মা ও শিশুর জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া সম্ভব হয়। গর্ভাবস্থার প্রতিটি ধাপকে নিরাপদ ভাবে পার করার জন্য সময়মতো পরীক্ষা এবং ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলা অত্যন্ত জরুরি। গর্ভকালীন স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণ শুধুমাত্র শারীরিক নয়, মানসিক ও আবেগগত সুস্থতাকেও নিশ্চিত করে। তাই প্রত্যেক গর্ভবতী মহিলার উচিত নিয়মিত এন্টেনাটাল চেকআপ করানো এবং নিজের স্বাস্থ্য ও শিশুর সুস্থতার দিকে মনোযোগ দেওয়া।

Blog Zinest

পোস্টনেটাল চেকআপ: মা ও নবজাতকের সুস্থতার নিশ্চয়তা

সন্তান জন্মের পর মা ও শিশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পোস্টনেটাল চেকআপের মাধ্যমে মায়ের দ্রুত সুস্থতা নিশ্চিত করা যায় এবং নবজাতকের সঠিক পরিচর্যা করা সম্ভব হয়। এই সময়ে ডাক্তারের পর্যবেক্ষণে মায়ের রক্তচাপ, রক্তের মান, প্রসব পরবর্তী জটিলতা, ছিঁড়ে যাওয়া বা সিজারিয়ান সেলের সঠিক নিরীক্ষণ করা হয়। যেকোনো অস্বস্তি বা সমস্যা, যেমন ব্যথা, রক্তপাত বা ইনফেকশন, আগে থেকেই শনাক্ত করে সমাধান করা যায়। নবজাতকের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয় যাতে তার ওজন, শারীরিক বৃদ্ধি এবং সাধারণ স্বাস্থ্যের অবস্থা সঠিক থাকে। এছাড়াও, মায়ের দুধ খাওয়ানো, নবজাতকের ত্বকের যত্ন, হাইজিন এবং টিকাদান সংক্রান্ত পরামর্শ দেওয়া হয়। নিয়মিত চেকআপের মাধ্যমে সম্ভাব্য সমস্যা যেমন জন্ডিস, ইনফেকশন বা অন্যান্য শারীরিক সমস্যা আগে থেকে শনাক্ত করা যায় এবং সময়মতো চিকিৎসা নিশ্চিত করা যায়। পোস্টনেটাল চেকআপ শুধু শারীরিক সুস্থতা নয়, মানসিক ও আবেগগত সুস্থতাকেও সমর্থন করে। জন্মের পর মা মানসিক চাপ, Depresion  এর সম্মুখীন হতে পারেন, তাই এই পর্যবেক্ষণ তার মানসিক স্বাস্থ্য বজায় রাখতেও সাহায্য করে। মা ও শিশুর নিরাপদ, সুস্থ ও সুখী জীবন নিশ্চিত করতে পোস্টনেটাল চেকআপ অপরিহার্য। নিয়মিত চেকআপের মাধ্যমে মায়ের পুনরুদ্ধার দ্রুত হয় এবং নবজাতকের সুস্থতা বজায় থাকে। তাই সন্তান জন্মের পর সময়মতো ডাক্তারি পরামর্শ অনুযায়ী পোস্টনেটাল চেকআপ করানো প্রত্যেক মায়ের জন্য অত্যন্ত জরুরি।

Scroll to Top