প্রায় এক-তৃতীয়াংশ দম্পতির ক্ষেত্রে সমস্যা থাকে স্বামীর, এক-তৃতীয়াংশে স্ত্রীর, এবং বাকিদের ক্ষেত্রে দুজনেরই অথবা পরীক্ষা করেও কোনো কারণ পাওয়া যায় না। তাই প্রথম ধাপ হলো শুধু স্ত্রীর চিকিৎসা শুরু না করে স্বামী-স্ত্রী দুজনকেই পরীক্ষা করা।
পরীক্ষায় সাধারণত দেখা হয় ডিম্বস্ফোটন, টিউব ও জরায়ুর অবস্থা, হরমোনের মাত্রা এবং স্বামীর সিমেন পরীক্ষা। চিকিৎসা সম্পূর্ণভাবে নির্ভর করে কী পাওয়া গেল তার উপর — অনেক দম্পতির ক্ষেত্রে ওষুধ ও সঠিক সময় নির্ধারণই যথেষ্ট, কারও ক্ষেত্রে অপারেশন লাগে, আবার কাউকে সহায়ক প্রজনন চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়।
পরামর্শের সময় স্বামী-স্ত্রী দুজনেই আসতে পারেন, এবং প্রথম সাক্ষাতে একসাথে এলে সবচেয়ে ভালো হয়।
যেসব লক্ষণে ডাক্তার দেখাবেন
- এক বছর চেষ্টার পরও সন্তান না হওয়া (৩৫ বছরের বেশি হলে ছয় মাস)
- অনিয়মিত মাসিক বা মাসিক বন্ধ থাকা
- বারবার গর্ভপাত হওয়া
- পিসিওএস, এন্ডোমেট্রিওসিস বা টিউব বন্ধ থাকা
- আগে পেলভিক অপারেশন বা সংক্রমণ হয়ে থাকা
সাধারণ জিজ্ঞাসা
প্রথম সাক্ষাতে কি আমার স্বামীকে আসতে হবে?
সম্ভব হলে হ্যাঁ। বন্ধ্যাত্বের একটি বড় অংশে স্বামীর সমস্যা জড়িত থাকে, এবং সিমেন পরীক্ষা প্রাথমিক পর্যায়ের সবচেয়ে সহজ ও কার্যকর পরীক্ষাগুলোর একটি। একসাথে এলে কয়েক মাস সময় বাঁচে।