বাংলাদেশে বেশিরভাগ নারী কেবল সমস্যা হলেই গাইনী ডাক্তারের কাছে যান। নিয়মিত পরীক্ষায় নীরবে বেড়ে ওঠা রোগগুলো ধরা পড়ে — জরায়ুমুখের পরিবর্তন, রক্তস্বল্পতা ও স্তনের প্রাথমিক চাকা, সবগুলোরই চিকিৎসা এভাবে ধরা পড়লে অনেক সহজ হয়।
যেসব লক্ষণে ডাক্তার দেখাবেন
- কোনো লক্ষণ নেই — সেটাই এর উদ্দেশ্য
- পরিবারে স্তন বা গাইনী ক্যান্সারের ইতিহাস
- কখনো জরায়ুমুখের স্ক্রিনিং না করানো