নিয়মিত গর্ভকালীন চেকআপের উদ্দেশ্য হলো নীরব সমস্যাগুলো ধরা — উচ্চ রক্তচাপ, গর্ভকালীন ডায়াবেটিস, বাচ্চার বৃদ্ধি কম হওয়া। এগুলোর বেশিরভাগই গুরুতর না হওয়া পর্যন্ত কোনো লক্ষণ দেখায় না, আর এ কারণেই নিয়মিত চেকআপ এত জরুরি।
মা ও শিশুর জন্য নিরাপদ হলে স্বাভাবিক প্রসবকেই অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। যেখানে সত্যিই সিজারের প্রয়োজন হয়, সেখানে কারণ আগেই বুঝিয়ে বলা হয় — যাতে সিদ্ধান্তটি কেবল জানিয়ে দেওয়া না হয়ে বোঝাপড়ার ভিত্তিতে নেওয়া হয়।
যেসব লক্ষণে ডাক্তার দেখাবেন
- প্রেগন্যান্সি টেস্ট পজিটিভ — প্রথম চেকআপের সময় নিন
- গর্ভাবস্থায় রক্তপাত বা তীব্র ব্যথা
- গর্ভাবস্থায় উচ্চ রক্তচাপ বা ডায়াবেটিস
- আগে সিজার হয়েছে বা গর্ভ নষ্ট হয়েছে
- বাচ্চার নড়াচড়া কমে যাওয়া